দ্য এজ অব এআই (The Age of AI: And Our Human Future) — Henry A. Kissinger, Eric Schmidt, Daniel Huttenlocher

সারসংক্ষেপ, ১৫ মিনিটে. যন্ত্র শিখছে; মানুষকে ঠিক করতে হবে কোথায় তার সীমা। একজন কূটনীতিক, একজন প্রযুক্তি-নির্বাহী আর একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী মিলে প্রশ্ন তুলেছেন: যে যন্ত্র নিজে শেখে, সে মানুষের জানা-বোঝার ধরনই কি বদলে দিচ্ছে? AI কীভাবে কাজ করে, কোথায় তার সীমা, আর বিশাল নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সে কীভাবে কোটি মানুষের চোখের সামনের পৃথিবী সাজিয়ে দেয়। AI কীভাবে যুদ্ধ আর শান্তির হিসাব বদলায়, মানুষের পরিচয় কোথায় দাঁড়ায়, আর সামনের পথে কী দরকার। পড়া শেষ। এবার নিজের জীবনে AI কোথায় আছে দেখুন, উত্তর যাচাই করতে শিখুন, আর নিজের ভাবনার জায়গাটুকু রক্ষা করুন।

দ্য এজ অব এআই

"দ্য এজ অব এআই" বইয়ের সারকথা

নতুন যুগের দরজায়

একজন কূটনীতিক, একজন প্রযুক্তি-নির্বাহী আর একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী মিলে প্রশ্ন তুলেছেন: যে যন্ত্র নিজে শেখে, সে মানুষের জানা-বোঝার ধরনই কি বদলে দিচ্ছে?

  1. তিন লেখক, একটি প্রশ্ন: বইটি কেন লেখা হলো
  2. দুটি ঘটনা, এক নতুন বাস্তবতা: AlphaZero আর হ্যালিসিন
  3. জানার তৃতীয় পথ: বিশ্বাস, যুক্তি, আর এখন AI

যন্ত্র কীভাবে শেখে, কোথায় ছড়ায়

AI কীভাবে কাজ করে, কোথায় তার সীমা, আর বিশাল নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সে কীভাবে কোটি মানুষের চোখের সামনের পৃথিবী সাজিয়ে দেয়।

  1. Turing থেকে আজ: মেশিন লার্নিং সহজ ভাষায়
  2. নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম: যারা আমাদের দেখার জগৎ সাজায়
  3. ভুল তথ্য আর আস্থার সংকট: যখন সত্যি-মিথ্যা আলাদা করা কঠিন

ক্ষমতা, নিরাপত্তা আর মানুষ

AI কীভাবে যুদ্ধ আর শান্তির হিসাব বদলায়, মানুষের পরিচয় কোথায় দাঁড়ায়, আর সামনের পথে কী দরকার।

  1. নিরাপত্তা ও বিশ্বব্যবস্থা: Kissinger-এর চেনা মাঠে নতুন খেলা
  2. মানুষ তাহলে কে?: AI-এর যুগে মানুষের পরিচয়
  3. সামনের পথ: অংশীদারি, কিন্তু চোখ খোলা রেখে

কাজে নামুন

পড়া শেষ। এবার নিজের জীবনে AI কোথায় আছে দেখুন, উত্তর যাচাই করতে শিখুন, আর নিজের ভাবনার জায়গাটুকু রক্ষা করুন।

  1. ৭ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান: প্রতিদিন একটি কাজ। শেষে টিক দিন।
  2. এক পাতার চিটশিট: পুরো বই এক নজরে, সেভ করে রাখুন
  3. শেষ কথা: যন্ত্রের যুগে মানুষের কাজ: প্রশ্ন করা থামাবেন না

ফ্রি প্রথম অধ্যায় থেকে

The Age of AI বেরোয় ২০২১ সালের নভেম্বরে। লেখক তিনজন, তিন জগতের মানুষ। Henry Kissinger (১৯২৩–২০২৩) ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, ছিলেন বিশ্বরাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত কূটনীতিকদের একজন। Eric Schmidt ২০০১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত Google-এর প্রধান নির্বাহী ছিলেন। Daniel Huttenlocher কম্পিউটার বিজ্ঞানী, MIT-র Schwarzman College of Computing-এর প্রথম ডিন।

শুরুটা Kissinger-এর কৌতূহল থেকে। ২০১৫ সালের এক সম্মেলনে তিনি শোনেন, একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম শিগগিরই গো খেলার বিশ্বসেরাদের চ্যালেঞ্জ জানাবে। পরের বছর DeepMind-এর AlphaGo সত্যিই দক্ষিণ কোরিয়ার Lee Sedol-কে হারায়। খেলায় জেতার চেয়েও তাঁকে ভাবাল অন্য প্রশ্ন: যে যন্ত্র নিজে নিজে কৌশল বের করে, সে ইতিহাস, দর্শন আর রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য কী অর্থ বয়ে আনে? ২০১৮ সালে The Atlantic পত্রিকায় তিনি এ নিয়ে লেখেন। তারপর তিনজন কয়েক বছর ধরে আলোচনা করে এই বই দাঁড় করান।

প্রথম অধ্যায় ফ্রিতে পড়ুন · দাম: ৳২৫০ · অথবা মেম্বারশিপে সব বই

সাধারণ প্রশ্ন

"দ্য এজ অব এআই" বইটি কী নিয়ে?

যন্ত্র শিখছে; মানুষকে ঠিক করতে হবে কোথায় তার সীমা। একজন কূটনীতিক, একজন প্রযুক্তি-নির্বাহী আর একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী মিলে প্রশ্ন তুলেছেন: যে যন্ত্র নিজে শেখে, সে মানুষের জানা-বোঝার ধরনই কি বদলে দিচ্ছে? AI কীভাবে কাজ করে, কোথায় তার সীমা, আর বিশাল নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সে কীভাবে কোটি মানুষের চোখের সামনের পৃথিবী সাজিয়ে দেয়। AI কীভাবে যুদ্ধ আর শান্তির হিসাব বদলায়, মানুষের পরিচয় কোথায় দাঁড়ায়, আর সামনের পথে কী দরকার। পড়া শেষ। এবার নিজের জীবনে AI কোথায় আছে দেখুন, উত্তর যাচাই করতে শিখুন, আর নিজের ভাবনার জায়গাটুকু রক্ষা করুন।

"দ্য এজ অব এআই" বইয়ের মূল শিক্ষাগুলো কী কী?

তিন লেখক, একটি প্রশ্ন; দুটি ঘটনা, এক নতুন বাস্তবতা; জানার তৃতীয় পথ; Turing থেকে আজ; নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম; ভুল তথ্য আর আস্থার সংকট; নিরাপত্তা ও বিশ্বব্যবস্থা; মানুষ তাহলে কে?; সামনের পথ।

"দ্য এজ অব এআই" বইয়ের লেখক কে?

Henry A. Kissinger, Eric Schmidt, Daniel Huttenlocher (The Age of AI: And Our Human Future)।

এই সারসংক্ষেপ পড়তে কতক্ষণ লাগে?

প্রায় ১৫ মিনিট। বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় আছে, আর প্রথম অধ্যায় ফ্রি।

একই ধরনের আরও বই