গেটিং টু ইয়েস (Getting to Yes: Negotiating Agreement Without Giving In) — Roger Fisher, William Ury & Bruce Patton

সারসংক্ষেপ, ১৫ মিনিটে. হার না মেনে, সম্পর্ক না ভেঙে চুক্তিতে পৌঁছান। আমরা সবাই রোজ দর-কষাকষি করি, আর বেশির ভাগ সময় ভুল পদ্ধতিতে। আগে সমস্যাটা চেনা যাক। বইয়ের প্রাণ। মানুষ, স্বার্থ, বিকল্প আর মানদণ্ড: চারটি ধাপ, যা যেকোনো আলোচনায় কাজে লাগে। অন্য পক্ষ বেশি ক্ষমতাবান হলে, এই খেলায় রাজি না হলে, বা নোংরা কৌশল খাটালে কী করবেন? বইয়ের শেষ অংশের উত্তর। পড়া শেষ। এবার সাত দিনে চার মূলনীতি আর বাটনা নিজের একটি আসল আলোচনায় পরখ করার পালা।

গেটিং টু ইয়েস

"গেটিং টু ইয়েস" বইয়ের সারকথা

অবস্থানের লড়াই

আমরা সবাই রোজ দর-কষাকষি করি, আর বেশির ভাগ সময় ভুল পদ্ধতিতে। আগে সমস্যাটা চেনা যাক।

  1. সবাই নেগোসিয়েটর: হার্ভার্ডের তৃতীয় পথ
  2. শক্ত হবেন, না নরম?: অবস্থানের দর-কষাকষির ফাঁদ

চারটি মূলনীতি

বইয়ের প্রাণ। মানুষ, স্বার্থ, বিকল্প আর মানদণ্ড: চারটি ধাপ, যা যেকোনো আলোচনায় কাজে লাগে।

  1. মানুষ আর সমস্যা আলাদা: সম্পর্ক বাঁচিয়েও শক্ত থাকা
  2. অবস্থান নয়, স্বার্থ: "কী চান" নয়, "কেন চান"
  3. দুই পক্ষেরই লাভ: ভাগাভাগির আগে বিকল্প বাড়ান
  4. বস্তুনিষ্ঠ মানদণ্ড: জেদের লড়াই নয়, ন্যায্যতার খোঁজ

যখন অন্য পক্ষ শক্তিশালী

অন্য পক্ষ বেশি ক্ষমতাবান হলে, এই খেলায় রাজি না হলে, বা নোংরা কৌশল খাটালে কী করবেন? বইয়ের শেষ অংশের উত্তর।

  1. আপনার বাটনা: চুক্তি না হলে আপনার সেরা বিকল্প
  2. নেগোসিয়েশন জুজুৎসু: ধাক্কার জবাবে ধাক্কা নয়
  3. নোংরা কৌশল সামলানো: চিনুন, নাম ধরে বলুন, নিয়ম নিয়ে কথা বলুন

কাজে নামুন

পড়া শেষ। এবার সাত দিনে চার মূলনীতি আর বাটনা নিজের একটি আসল আলোচনায় পরখ করার পালা।

  1. ৭ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান: প্রতিদিন একটি কাজ। শেষে টিক দিন।
  2. এক পাতার চিটশিট: পুরো বই এক নজরে, সেভ করে রাখুন
  3. শেষ কথা: হ্যাঁ-তে পৌঁছানোর পথ: জেতা নয়, ভালো চুক্তি

ফ্রি প্রথম অধ্যায় থেকে

Getting to Yes প্রথম বেরোয় ১৯৮১ সালে। লিখেছিলেন হার্ভার্ড ল স্কুলের অধ্যাপক Roger Fisher আর নৃবিজ্ঞানী William Ury; পরের সংস্করণগুলোতে তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হন Bruce Patton। তিনজনই হার্ভার্ড নেগোসিয়েশন প্রজেক্টের মানুষ, যেখানে আইনজীবী, কূটনীতিক আর গবেষকেরা মিলে খুঁজতেন বিরোধ মেটানোর ভালো উপায়। Fisher দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন বিমানবাহিনীতে ছিলেন, আর যুদ্ধে বহু বন্ধু হারানো থেকেই তাঁর আগ্রহ জন্মায়: লড়াই ছাড়া মানুষ কীভাবে বিরোধ মেটাতে পারে।

লেখকেরা শুরুতেই মনে করিয়ে দেন, আমরা সবাই রোজ কোনো না কোনো দর-কষাকষিতে আছি। বেতন নিয়ে বসের সঙ্গে আলাপ, ভাড়া নিয়ে বাড়িওয়ালার সঙ্গে, ছুটি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে, এমনকি রাতে টিভিতে কী চলবে তা নিয়েও। যেখানে দুই পক্ষের কিছু স্বার্থ মেলে আর কিছু মেলে না, সেখানেই নেগোসিয়েশন।

প্রথম অধ্যায় ফ্রিতে পড়ুন · দাম: ৳২৫০ · অথবা মেম্বারশিপে সব বই

সাধারণ প্রশ্ন

"গেটিং টু ইয়েস" বইটি কী নিয়ে?

হার না মেনে, সম্পর্ক না ভেঙে চুক্তিতে পৌঁছান। আমরা সবাই রোজ দর-কষাকষি করি, আর বেশির ভাগ সময় ভুল পদ্ধতিতে। আগে সমস্যাটা চেনা যাক। বইয়ের প্রাণ। মানুষ, স্বার্থ, বিকল্প আর মানদণ্ড: চারটি ধাপ, যা যেকোনো আলোচনায় কাজে লাগে। অন্য পক্ষ বেশি ক্ষমতাবান হলে, এই খেলায় রাজি না হলে, বা নোংরা কৌশল খাটালে কী করবেন? বইয়ের শেষ অংশের উত্তর। পড়া শেষ। এবার সাত দিনে চার মূলনীতি আর বাটনা নিজের একটি আসল আলোচনায় পরখ করার পালা।

"গেটিং টু ইয়েস" বইয়ের মূল শিক্ষাগুলো কী কী?

সবাই নেগোসিয়েটর; শক্ত হবেন, না নরম?; মানুষ আর সমস্যা আলাদা; অবস্থান নয়, স্বার্থ; দুই পক্ষেরই লাভ; বস্তুনিষ্ঠ মানদণ্ড; আপনার বাটনা; নেগোসিয়েশন জুজুৎসু; নোংরা কৌশল সামলানো।

"গেটিং টু ইয়েস" বইয়ের লেখক কে?

Roger Fisher, William Ury & Bruce Patton (Getting to Yes: Negotiating Agreement Without Giving In)।

এই সারসংক্ষেপ পড়তে কতক্ষণ লাগে?

প্রায় ১৫ মিনিট। বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় আছে, আর প্রথম অধ্যায় ফ্রি।

একই ধরনের আরও বই