গিভ অ্যান্ড টেক (Give and Take: Why Helping Others Drives Our Success) — Adam Grant
সারসংক্ষেপ, ১৫ মিনিটে. অন্যকে তুলে ধরেই নিজে ওপরে ওঠা যায়। কাজের জায়গায় মানুষ মূলত তিন রকমভাবে দেওয়া-নেওয়া করেন। গ্রান্টের চমকে দেওয়া আবিষ্কার: সাফল্যের সিঁড়ির সবচেয়ে নিচে আর সবচেয়ে ওপরে, দুই জায়গাতেই দাতারা। নেটওয়ার্ক গড়া, একসঙ্গে কাজ করা, মানুষের সম্ভাবনা চেনা আর প্রভাব খাটানো। এই চার জায়গায় সফল দাতারা কীভাবে আলাদা, সেটাই এই অংশ। দাতারা কেন কখনো সবার নিচে পড়ে যান, আর কীভাবে তা এড়ানো যায়: ক্লান্তি সামলানো, ঠকে না যাওয়া, আর চারপাশে দেওয়ার সংস্কৃতি গড়া। পড়া শেষ। এবার এক সপ্তাহ ধরে বুদ্ধিমান দাতা হওয়ার অনুশীলন: ছোট উপকার, পুরোনো সম্পর্ক, আর পরিষ্কার সীমা।

"গিভ অ্যান্ড টেক" বইয়ের সারকথা
দাতা, গ্রহীতা, বিনিময়কারী
কাজের জায়গায় মানুষ মূলত তিন রকমভাবে দেওয়া-নেওয়া করেন। গ্রান্টের চমকে দেওয়া আবিষ্কার: সাফল্যের সিঁড়ির সবচেয়ে নিচে আর সবচেয়ে ওপরে, দুই জায়গাতেই দাতারা।
- কেন এই বই: দেওয়া-নেওয়ার তিন ধরন
- গ্রহীতাকে চেনা: মিষ্টি কথা মানেই উদার মন নয়
- দাতারা কেন শীর্ষে ওঠেন: দৌড়টা ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়
দাতাদের চার শক্তি
নেটওয়ার্ক গড়া, একসঙ্গে কাজ করা, মানুষের সম্ভাবনা চেনা আর প্রভাব খাটানো। এই চার জায়গায় সফল দাতারা কীভাবে আলাদা, সেটাই এই অংশ।
- পাঁচ মিনিটের উপকার: নেটওয়ার্ক মানে লেনদেন নয়
- কৃতিত্ব ভাগ করা: দলের জয়ে নিজের জয়
- সম্ভাবনা চেনা: আগে বিশ্বাস, পরে প্রতিভা
- নরম কথার জোর: প্রশ্ন, বিনয় আর পরামর্শ চাওয়া
দাতা হয়েও টিকে থাকা
দাতারা কেন কখনো সবার নিচে পড়ে যান, আর কীভাবে তা এড়ানো যায়: ক্লান্তি সামলানো, ঠকে না যাওয়া, আর চারপাশে দেওয়ার সংস্কৃতি গড়া।
- ক্লান্তি এড়ানো: নিঃস্বার্থ নয়, অন্য-মুখী দাতা
- পাপোশ নয়: উদার, কিন্তু বোকা নয়
- দেওয়ার সংস্কৃতি: চাওয়াটাও সাহায্যের অংশ
কাজে নামুন
পড়া শেষ। এবার এক সপ্তাহ ধরে বুদ্ধিমান দাতা হওয়ার অনুশীলন: ছোট উপকার, পুরোনো সম্পর্ক, আর পরিষ্কার সীমা।
- ৭ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান: প্রতিদিন একটি কাজ। শেষে টিক দিন।
- এক পাতার চিটশিট: পুরো বই এক নজরে, সেভ করে রাখুন
- শেষ কথা: বুদ্ধিমান দাতা হোন: দেওয়াই লম্বা দৌড়ের শক্তি
ফ্রি প্রথম অধ্যায় থেকে
অ্যাডাম গ্রান্ট (Adam Grant) Give and Take প্রকাশ করেন ২০১৩ সালে; এটিই তাঁর প্রথম বই। তিনি তখন পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হোয়ার্টন স্কুলের তরুণ অধ্যাপক। বইয়ের প্রশ্ন: সাফল্য কি শুধু পরিশ্রম, প্রতিভা আর ভাগ্যের ব্যাপার? গ্রান্টের উত্তর, আরেকটি জিনিস বড় ভূমিকা রাখে: অন্যের সঙ্গে আপনি কীভাবে দেওয়া-নেওয়া করেন।
গ্রান্ট জানান, কাজের জায়গায় বেশির ভাগ মানুষ বিনিময়কারী। কেউই পুরোপুরি এক রকম নন: পরিবারে আমরা অনেকেই দাতা, অফিসে হয়তো বিনিময়কারী। প্রশ্ন হলো, কাজের জায়গায় আপনার মূল ধরন কোনটি।
প্রথম অধ্যায় ফ্রিতে পড়ুন · দাম: ৳২৫০ · অথবা মেম্বারশিপে সব বই
সাধারণ প্রশ্ন
"গিভ অ্যান্ড টেক" বইটি কী নিয়ে?
অন্যকে তুলে ধরেই নিজে ওপরে ওঠা যায়। কাজের জায়গায় মানুষ মূলত তিন রকমভাবে দেওয়া-নেওয়া করেন। গ্রান্টের চমকে দেওয়া আবিষ্কার: সাফল্যের সিঁড়ির সবচেয়ে নিচে আর সবচেয়ে ওপরে, দুই জায়গাতেই দাতারা। নেটওয়ার্ক গড়া, একসঙ্গে কাজ করা, মানুষের সম্ভাবনা চেনা আর প্রভাব খাটানো। এই চার জায়গায় সফল দাতারা কীভাবে আলাদা, সেটাই এই অংশ। দাতারা কেন কখনো সবার নিচে পড়ে যান, আর কীভাবে তা এড়ানো যায়: ক্লান্তি সামলানো, ঠকে না যাওয়া, আর চারপাশে দেওয়ার সংস্কৃতি গড়া। পড়া শেষ। এবার এক সপ্তাহ ধরে বুদ্ধিমান দাতা হওয়ার অনুশীলন: ছোট উপকার, পুরোনো সম্পর্ক, আর পরিষ্কার সীমা।
"গিভ অ্যান্ড টেক" বইয়ের মূল শিক্ষাগুলো কী কী?
কেন এই বই; গ্রহীতাকে চেনা; দাতারা কেন শীর্ষে ওঠেন; পাঁচ মিনিটের উপকার; কৃতিত্ব ভাগ করা; সম্ভাবনা চেনা; নরম কথার জোর; ক্লান্তি এড়ানো; পাপোশ নয়; দেওয়ার সংস্কৃতি।
"গিভ অ্যান্ড টেক" বইয়ের লেখক কে?
Adam Grant (Give and Take: Why Helping Others Drives Our Success)।
এই সারসংক্ষেপ পড়তে কতক্ষণ লাগে?
প্রায় ১৫ মিনিট। বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় আছে, আর প্রথম অধ্যায় ফ্রি।